রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে 'আরসা' - DesherSomoy24.com
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ মার্চ ২০২২
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জাতীয়
  5. নির্বাচন
  6. প্রচ্ছদ
  7. প্রধান খবর
  8. প্রবাসে বাংলা
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. ব্যবসা ও বাণিজ্য
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষা ও সাহিত্য
  14. সব
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে ‘আরসা’

Mohammad Ali Sumon
মার্চ ৩, ২০২২ ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বাড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি। উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ছোট-বড় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দলগত আরসার সশস্ত্র তৎপরতায় তাদের নিয়ন্ত্রণ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।

ইয়াবা, মাদক-মানবপাচার, স্বর্ণ চোরাচালান, চাঁদাবাজি, অপহরণের পর মুক্তিপণ বাণিজ্য, রোহিঙ্গা কল্যাণ ফান্ডের নামে মাসিক চাঁদা আদায়,শালিস বাণিজ্য, বিয়ে-শাদী সহ নানা অনুষ্ঠান থেকে নিদিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করছে আরসা বা আল ইয়াকিনের সশস্ত্র গ্রুপ। ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার থেকে শুরু করে তুচ্ছ ঘটনায়ও আরসা ব্যবহার করছে দেশী-বিদেশী অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র।

ক্যাম্পে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতা বিস্তারে অস্ত্র ব্যবহার করছে আরসা সদস্যরা। খুনাখুনিসহ এসব অপরাধ কর্মকান্ডে আশ্রয় ক্যাম্প গুলোতে নেমে এসেছে ভয়াবহ অশান্তি। সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশী ভয়াবহ রূপধারণ করছে উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের কয়েকটি ব্লকে।

এরমধ্যে বালুখালী ক্যাম্প-৮ ই ব্লকে বিচরণ করা আরসার গ্রুপ সবচেয়ে শক্তিধর। তাদের রয়েছে ভারী অস্ত্র। সেখানে কথিত আরসা পরিচয়ধারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতায় ক্যাম্পে বাড়ছে উদ্বেগ। তাদের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না।

কারণ প্রতিবাদ করলেই রাতের আঁধারে সশস্ত্র গ্রুপ এসে নিয়ে যাবে, মারধর করবে এ ভয় কাজ করছে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে। কথিত আরসা সন্ত্রাসীরা পুরুষদের পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারীদের হাতেও অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তাদেরকে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে অস্ত্র চালনার।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চালালে অস্ত্রের ব্যবহার, সংঘর্ষ সহ মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান থেমে নেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ব্যাপক অনুসন্ধান ও সাধারণ রোহিঙ্গাদের সাথে কথা এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি আরসা। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের নিয়ে গঠিত আরসার মুল লিডার হাফেজ আতাউল্লাহ ওরফে আবু আহম্মদ জুনুনি।

উখিয়া ও টেকনাফের প্রতিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন কথিত আরসার সদস্যরা। নিজ দেশ মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল দেশটির সেনাবাহিনীর ওপর হামলা। ওই হামলার সঙ্গেও জড়িত ছিল আল-ইয়াকিনের সশস্ত্র গ্রুপ।

এখন তারা বাংলাদেশেও রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প গুলোতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। আরসা নেতা এই আবু আহম্মদ জুনুনীর সাথে সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পাহারায় থাকেন ৪/৫ জন সদস্য। তার অপরাপর সদস্যরা রয়েছে বালুখালী ক্যাম্প ৮/ই ব্লকে। আবু আহম্মদ জুনুনি পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম নেয়া একজন রোহিঙ্গা।

যিনি সৌদি আরবের মক্কায় বড় হয়েছেন। এছাড়া সৌদি প্রবাসী রোহিঙ্গাদের একটি কমিটিও তার নেতৃত্বে রয়েছে বলে জানা গেছে। একটি সুত্র জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা গোলাম শরীফের ছেলে আরসা নেতা হাফেজ আতাউল্লাহ ওরফে আবু আহম্মদ জুনুনি বর্তমানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি তুমব্রু জিরো পয়েন্টে তার সহযোগীদের নিয়ে অবস্থান করছে।

তিনি দুই বার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ঘুরে গেছেন। ক্যাম্পে আরসা সশস্ত্র গ্রুপের সাথে পৃথক পৃথক বৈঠকও করেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন সন্ত্রাস, সন্ত্রাসী, ইয়াবা গডফাদার ও মানব পাচারকারী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে তিনি। এছাড়াও আরসা সদস্য নাইক্ষ্যংছড়ি তমব্রু জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী মাস্টার ওলা মিয়ার ছেলে মাস্টার দিল মোহাম্মদ, মাস্টার আরফাত আহম্মেদ, ক্যাম্প-৮ এ অবস্থানকারী আরসার সেকেন্ড ইন কমান্ড হোসাইন আলীর ছেলে ফয়জুল কবির ওরফে মৌলভী আবু আনাস।এই মৌলভী আবু আনাসে কাছেই আরসার সমস্ত অস্ত্র মজুদ থাকে।

ক্যাম্প-৮-ই ব্লক-বি ৩৪ এ গোলাম কাদের ছেলে মৌলভী হামিদুল্লাহ ক্যাম্পে নারীদেরকে নির্যাতন করে, বিভিন্ন অসহায় নারীকে অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে এবং আরসার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রোহিঙ্গারা জানান, গত কয়েক মাসে তাদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে অনেক নারী।

তারা পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করেছে। গর্ভপাতও করেছে। তাদের সবার বক্তব্য হলো, আল-ইয়াকিনের সদস্যরা তাদের সর্বনাশ করেছে। রোহিঙ্গাদের মতে, ক্যাম্পের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তেমন বিচরণ নেই। এ সুযোগে যা ইচ্ছা তা-ই করার সুযোগ পায়। আরসা সদস্যদের ইচ্ছা হলে তারা পরিবারের সদস্যদের সামনেই নারীদের ধর্ষণ করে।

আল-ইয়াকিন সদস্যদের হাতে ধর্ষণের শিকার, পরে গর্ভবতী হওয়া অনেক রোহিঙ্গা নারী পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং গর্ভপাত করিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করে এক পল্লীচিকিৎসক এতথ্য জানান। ক্যাম্প-৮-ই ব্লক-২৪০, ডিআরএস টীম লিডার ও ফয়জুল কবিরের ছেলে মাস্টার মোহাম্মদ আয়াছ।

তিনি আল ইয়াকিনের সব তথ্য আদান প্রদান ও কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে আসছে। ব্লক বি-৫০, ক্যাম্প-৮ এর বাসিন্দা হাফেজ ইসমাইলের ছেলে ইয়াসিন মাঝি। তিনি এই ব্লকের হেড মাঝি এবং চেয়ারম্যান। ক্যাম্পে প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে চাঁদাবাজী, ইয়াবা ব্যবসা এবং আল ইয়াকিনের সমস্ত অস্ত্র কেনাবেচায় জড়িত।

ব্লক বি-৪০ এর আবু আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরু মাঝি আল ইয়াকিনের নাইট গার্ড, ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং আল ইয়াকিনের গোয়েন্দা কাজে জড়িত। ক্যাম্প ৮-ই, ব্লক-এইচবি-৩৬ হেড মাঝি ইয়াবা গডফাদার ও মো. ছিদ্দিকের ছেলে মো. শফিক ওরফে মো. হোসেন।

তিনি দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। সাধারণ রোহিঙ্গাদের হুমকি থেকে শুরু সমস্ত অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত এবং তার কথা কোন রোহিঙ্গা না শুনলে তাকে গুলি করে আহত কিংবা হত্যা করা হয়। তাদের মতো আরো শতশত সশস্ত্র আরসা সন্ত্রাসীর অবস্থান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প-৩ ও ৭, বালুখালী ক্যাম্প-৮ ও ৮- ইস্ট ৯ ও ১০, থাইংখালী জামতলীর ক্যাম্প-১৫, ক্যাম্প-২১ সহ বহু ক্যাম্পে রাতদিন আরসা বা আল ইয়াকিনের বিচরণ রয়েছে। তবে উদ্বেগ জনকভাবে বেশী বিচরণ রয়েছে বালুখালী ক্যাম্প-৮ এ।

এর কারণ হিসেবে সাধারণ রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে উখিয়া বালুখালী ক্যাম্প-৮, ৯ ও ১১ নম্বরে সহজে প্রবেশকরতে পারে এবং যাতায়াতের জন্য সুবিধাজনক। এছাড়াও চোরাগলি দিয়ে মিয়ানমারে যাতায়াতের মাধ্যমে ইয়াবা, আইস ও স্বর্ণের বারের বড়-বড় চালান ক্যাম্প অভ্যন্তরে ঢুকানো যায়।

এসব ব্যবসা এবং আধিপত্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজেরাই কথিত আরসা গ্রুপ সৃষ্টি করে নানামুখী অপকর্ম করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মাদক ও চোরাচালান পণ্য ক্যাম্পে প্রবেশ করতে রাত-বিরাতে সশস্ত্র গ্রুপ বালুখালীর জুমের ছড়া,বালুখালীর ফুটবল খেলার মাঠ, মরাগাছ তলা নামক জায়গায় বের হয়ে সীমান্ত পথে মিয়ানমারে যাতায়াত করেন।

ফলে স্থানীয়রাও ভয়ে-আতংকে থাকেন। রোহিঙ্গাদের মতে, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মুক্তিপণ বাণিজ্য,আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অনেক হত্যার ঘটনা ঘটেছে গত চার বছরে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পাহাড়ি ক্যাম্পে এত অস্ত্র-গোলাবারুদ আসছে কোত্থেকে? তা-ও আবার অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র! এদের অস্ত্রের যোগানদাতা কারা।

কথিত আল ইয়াকিন সন্ত্রাসীরা পুরুষের পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারীদের হাতেও অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তাদেরকে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে অস্ত্র চালনার। বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত সশস্ত্র রোহিঙ্গারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের (নারী ও পুরুষ) অস্তিত্ব জাহির করতে ছবি দিয়ে প্রচারণাও চালাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান,আরসা সদস্য ক্যাম্প-১৫, ব্লক-জি-২ এর মৌলভী নুরুল আলমের ছেলে মো. নোমান, বান্দরবানের মিয়ানমার সীমান্তের কাঁটা তাঁর লাগোয়া ঘুমধুমের জিরো পয়েন্টের দিল মোহাম্মদ ও মৌলভী আরফাত আহমদ এদেশীয় সোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট তথ্য দিয়ে সম্পর্ক জিইয়ে রেখেছে।

তারা জিরো পয়েন্ট কেন্দ্রিক ইয়াবা, মাদক, স্বর্ণ চোরাচালানেরও অন্যতম হোতা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে জিরো পয়েন্টের সব অপকর্ম চলছে। ক‌্যাম্প-৩ ব্লক-এ, এ/৩১, শেড মাঝি মো. ছিদ্দিক, হেড মাঝি নুর মোহাম্মদের ব্লকের আব্দুর রহিমের ছেলে হাফেজ মো. আলম, ক‌্যাম্প-৮ এর হেড মাঝি ইয়াছিন আরসার সক্রিয় সদস্য।

এদের মধ্যে ইয়াছিন অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেলে রয়েছে। কিন্তু তার কথিত গ্রুপের সদস্যরা নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ করতে চাননি এরকম কয়েকজন রোহিঙ্গা বলেছেন, ইয়াবা, মাদক, স্বর্ণ চোরাচালানের ব্যবসা থেকে আয় করা অর্থ এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিকট থেকে গোপনে উত্তোলিত চাঁদার টাকায় ইয়াছিনকে জামিনে মুক্ত করতে মোটা টাকার তহবিল গঠন করছে ক্যাম্পে থাকা আরসা সদস্যরা।

তারা আরও বলছেন, আরসার উৎপাতে ক্যাম্প গুলোতে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাপা আতঙ্ক। সবার মনে একটা ভয় তৈরি হয়েছে, যে কোন সময় সশস্ত্র আরসা সন্ত্রাসীরা যে কোন অঘটন ঘটাতে পারে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বে নিয়োজিত একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য জানান, উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।

তাদের বিষয়ে ব্যাপক তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান বলেন, ক্যাম্পে আশ্রিত সন্ত্রাসীরা পুলিশের তালিকাভুক্ত। কোন গ্রুপকে ক্যাম্পে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাতে দেয়া হবে না।

যারা সন্ত্রাসী কাজে জড়িতের চেস্টা করবে তাদের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মো. নাইমুল হক পিপিএম জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে কোন গ্রুপ থাকতে পারবে না।

এপিবিএন সদস্যরা ক্যাম্প অভ্যন্তরে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে ২২০ জন কথিত আরসা সদস্য সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত প্রায় ৯’শ রোহিঙ্গা দুস্কৃতকারীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।