ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নেতাকর্মীরা এখন বেলর্সপার্কে

 এম এ আকরাম বরিশাল থেকে।
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নেতাকর্মীরা এখন বেলস পার্ক

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত ২ যাবত বরিশালের সাথে বিভাগের ৬টি জেলার বাস ট্রলার,৩ চাকার গাড়ী, স্প্রীটবোর্ড,চলাচল বন্ধ,সরকারী দলের নেতা কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে বিএনপির নেতা কর্মীরা এখন বরিশাল বেলসপার্কে।

সারাদশে গুম,হত্যা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধোগতি,গুলি করে নেতা কর্মীদের হত্যা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ঘোষিত দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে গন সমাবেশের অংশ হিসেবে ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ। সমাবেশ শুরুর ৩ দিন আগেই বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে নেতা কর্মীরা বরিশালে আসতে শুরু করে। এ দিকে বরিশাল আন্ত:জেলা বাস মালিক সমিতি ও থ্রীহুলার( ৩চাকা) মালিক সমিতি বিভিন্ন দাবীতে ৪ ও ৫ নভেম্বর পূর্ব নির্ধারিত ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বাহন চলাচল বন্ধ রাখে।

ফলে দূর্ভোগ দেখা দেয় জন সাধারনের। অন্যদিকে আজকের গন সমাবেশকে লক্ষ করে নগরীর বেলর্সপার্ক গতকাল রাতেই কানায় কানায় পূর্ন হয়ে গেছে। ৫নভেম্বর দূপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল থেকে সমাবেশস্হলের সকল কাজ সস্পুর্ন হয়েছে। নেতাকর্মীদের আগমনে বরিশাল বেলসপার্কে এখন মুখরিত। জাসাস শিল্পীরা সারারাত গান গেয়ে আগত নেতাকর্মীদের উজ্জবীত করে রাখেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দ গতকাল থেকে বরিশালে অবস্হান করছেন। ভোলার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম বলেন- ভোলায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নেতাকর্মীদের হত্যা, দ্রব্যমূল্যের উদ্ধোগতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে আজকের গন সমাবেশ।

আওয়ামীলীগের দূ:শাসনে জনগন আজ নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। বরিশালের জনসভা তারই বহিপ্রকাশ। কোন বাধা বিপত্তি বরিশালের জনগনকে আটকে রাখতে পারেনি। আগামীতেও রাখতে পারবেনা। এই জনস্রোত খালেদা জিয়ার মুক্তির জনস্রোত।

বরিশালের গনসমাবেশ থেকেই সরকারের পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেন- সরকার ৪ ও ৫ তারিখ গন পরিবহন বন্ধ করার ঘোষনা দেওয়ায় গত ৩ তারিখ রাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাতেই লঞ্চযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে হামলা করে।

সেই হামলাকে উপেক্ষা করে আমরা এখন বরিশালের সমাবেশস্হলে। গত ২দিন যাবত দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন বাধা উপেক্ষা করে ট্রলার যোগে জীবনের ঝুকি নিয়ে ভোলা থেকে নেতাকমীরা বরিশালে আসছে। ৭০ উদ্ধে রিক্সা চালক লোকমান মিয়া জানান-এ পযন্ত বিগত দিনে বরিশালে হরতাল অবরোধ হলেও এমনটি কখনও দেখিনি। রিক্সা পযন্ত চলাচলে বাধা দিয়েছে সরকারী দলের নেতাকর্মীরা।

বরিশাল আলেকান্দার এক ব্যবসায়ী রফিজল হক জানান- বরিশালের সমাবেশের ইতিহাসে স্বাধীনতার পর এত লোক সমাগম আর তিনি কখনও দেখেননি। সরজমিনে দেখা যায়- গত ২দিন ধরে নেতাকর্মীরা নেতা কর্মীরা মাঠে অবস্হান করে রাত্রী যাপন করে। মাঠের পাশে রান্না করে খাওয়া দাওয়া করেন। যারা ট্রলার নিয়ে এসেছেন তারা ট্রলারেই রান্নার কাজটি সেরে নিচ্ছেন।

বরিশাল বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন ২২শর্তে বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেন। তার মধ্যে অন্যতম হলে মাঠটির অর্ধেক খালি রেখে মাঠটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। মাঠের একপাশে বিএনপি মঞ্চকরলেই অন্যপাশে জেলা প্রশাসকের আরেকটি তৈরী মঞ্চ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্হানীয় বিএনপির নেতা কর্মীরা।

ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন একদিকে মাঠের অনুমতি অন্যদিকে সরকারের নিদ্দেশে জনসভাকে বাধাগ্রস্হ করতে বরিশালের প্রশাসন মাঠে আরেকটি মঞ্চ ও প্যান্ডেল তেরী কোন ষড়যন্ত্র সভাকে বাধাগ্রস্হ করতে পারবে না। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্হানে রয়েছে।

কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনে সর্তক ও কঠোর অবস্হানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের প্রশাসন। অন্যদিকে কোন ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্হানে রয়েছে। শহর জুরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নেতাকর্মীরা এখন বেলর্সপার্কে

আপডেট সময় : ০১:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২

গত ২ যাবত বরিশালের সাথে বিভাগের ৬টি জেলার বাস ট্রলার,৩ চাকার গাড়ী, স্প্রীটবোর্ড,চলাচল বন্ধ,সরকারী দলের নেতা কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে বিএনপির নেতা কর্মীরা এখন বরিশাল বেলসপার্কে।

সারাদশে গুম,হত্যা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধোগতি,গুলি করে নেতা কর্মীদের হত্যা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ঘোষিত দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে গন সমাবেশের অংশ হিসেবে ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ। সমাবেশ শুরুর ৩ দিন আগেই বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে নেতা কর্মীরা বরিশালে আসতে শুরু করে। এ দিকে বরিশাল আন্ত:জেলা বাস মালিক সমিতি ও থ্রীহুলার( ৩চাকা) মালিক সমিতি বিভিন্ন দাবীতে ৪ ও ৫ নভেম্বর পূর্ব নির্ধারিত ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বাহন চলাচল বন্ধ রাখে।

ফলে দূর্ভোগ দেখা দেয় জন সাধারনের। অন্যদিকে আজকের গন সমাবেশকে লক্ষ করে নগরীর বেলর্সপার্ক গতকাল রাতেই কানায় কানায় পূর্ন হয়ে গেছে। ৫নভেম্বর দূপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল থেকে সমাবেশস্হলের সকল কাজ সস্পুর্ন হয়েছে। নেতাকর্মীদের আগমনে বরিশাল বেলসপার্কে এখন মুখরিত। জাসাস শিল্পীরা সারারাত গান গেয়ে আগত নেতাকর্মীদের উজ্জবীত করে রাখেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দ গতকাল থেকে বরিশালে অবস্হান করছেন। ভোলার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম বলেন- ভোলায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নেতাকর্মীদের হত্যা, দ্রব্যমূল্যের উদ্ধোগতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে আজকের গন সমাবেশ।

আওয়ামীলীগের দূ:শাসনে জনগন আজ নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। বরিশালের জনসভা তারই বহিপ্রকাশ। কোন বাধা বিপত্তি বরিশালের জনগনকে আটকে রাখতে পারেনি। আগামীতেও রাখতে পারবেনা। এই জনস্রোত খালেদা জিয়ার মুক্তির জনস্রোত।

বরিশালের গনসমাবেশ থেকেই সরকারের পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেন- সরকার ৪ ও ৫ তারিখ গন পরিবহন বন্ধ করার ঘোষনা দেওয়ায় গত ৩ তারিখ রাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাতেই লঞ্চযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে হামলা করে।

সেই হামলাকে উপেক্ষা করে আমরা এখন বরিশালের সমাবেশস্হলে। গত ২দিন যাবত দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন বাধা উপেক্ষা করে ট্রলার যোগে জীবনের ঝুকি নিয়ে ভোলা থেকে নেতাকমীরা বরিশালে আসছে। ৭০ উদ্ধে রিক্সা চালক লোকমান মিয়া জানান-এ পযন্ত বিগত দিনে বরিশালে হরতাল অবরোধ হলেও এমনটি কখনও দেখিনি। রিক্সা পযন্ত চলাচলে বাধা দিয়েছে সরকারী দলের নেতাকর্মীরা।

বরিশাল আলেকান্দার এক ব্যবসায়ী রফিজল হক জানান- বরিশালের সমাবেশের ইতিহাসে স্বাধীনতার পর এত লোক সমাগম আর তিনি কখনও দেখেননি। সরজমিনে দেখা যায়- গত ২দিন ধরে নেতাকর্মীরা নেতা কর্মীরা মাঠে অবস্হান করে রাত্রী যাপন করে। মাঠের পাশে রান্না করে খাওয়া দাওয়া করেন। যারা ট্রলার নিয়ে এসেছেন তারা ট্রলারেই রান্নার কাজটি সেরে নিচ্ছেন।

বরিশাল বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন ২২শর্তে বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেন। তার মধ্যে অন্যতম হলে মাঠটির অর্ধেক খালি রেখে মাঠটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। মাঠের একপাশে বিএনপি মঞ্চকরলেই অন্যপাশে জেলা প্রশাসকের আরেকটি তৈরী মঞ্চ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্হানীয় বিএনপির নেতা কর্মীরা।

ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন একদিকে মাঠের অনুমতি অন্যদিকে সরকারের নিদ্দেশে জনসভাকে বাধাগ্রস্হ করতে বরিশালের প্রশাসন মাঠে আরেকটি মঞ্চ ও প্যান্ডেল তেরী কোন ষড়যন্ত্র সভাকে বাধাগ্রস্হ করতে পারবে না। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্হানে রয়েছে।

কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনে সর্তক ও কঠোর অবস্হানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের প্রশাসন। অন্যদিকে কোন ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্হানে রয়েছে। শহর জুরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।