প্রধান খবর

কবে খেলবেন বলেন, আমরাও খেলতে চাই: শামীম ওসমান (ভিডিও)

  প্রতিনিধি ২৭ আগস্ট ২০২২ , ৯:২১:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

কবে খেলবেন বলেন, আমরাও খেলতে চাই: শামীম ওসমান
কবে খেলবেন বলেন, আমরাও খেলতে চাই: শামীম ওসমান

নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, আপনারা সুযোগ নিতে চান, খেলতে চান। আপনারা খেলবেন আমাদের সাথে, কবে খেলবেন বলেন।

300px X 250px AD

আমরাও খেলতে চাই। আপনারা ধ্বংসের পক্ষে, আমরা খেলবো ধ্বংসের বিপক্ষে। আপনারা খেলবেন সাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রে, আমরা খেলবো অসাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রে। ডেট দিন কবে খেলবেন।

শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জের ২নং রেলগেট এলাকায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শামীম ওসমান। জাগোনিউজ ২৪

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে ঝামেলা করার দরকার কী? আসুন নারায়ণগঞ্জে খেলি। তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে খেলছেন। সাহেব বলছি, যদি আবার ওপর থেকে মারেন।

মুসলমান একবার মরে, দুইবার মরে না। আমার সত্যি খালেদা জিয়ার জন্য কষ্ট লাগে। আমি তার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করি। শেখ হাসিনা বলেছিলেন, মানুষ অসুস্থ হলে সে যদি শত্রুও হয়, তার জন্য দোয়া করবে। লন্ডন থেকে নির্দেশ আসছে, আপনারা বাংলাদেশে বসে লাফাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিলো না বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে। বঙ্গবন্ধু আর পনেরো বছর পেলে বাংলাদেশ জাপানের মতো উন্নত দেশ থাকতো। আপনারা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ করেন এটা বলবো না। আমি বলবো, শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগের স্বপ্ন না।

শেখ হাসিনা আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। গত ১৬ আগস্ট জাতির জনকের কন্যা বলেছেন, চতুর্দিক থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আরেকটি পঁচাত্তর, একুশে আগস্টের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা হচ্ছে। জাতির পিতার কন্যাকে বলতে চাই হতে পারেন আপনি নীলকণ্ঠী, চেষ্টা করেছি আপনার মতো হওয়ার।

খোকন সাহাকে নাকি ন্যাংটো করে ঘোরাবে। তার আগে চিন্তা করবেন। রাজনীতিতে এই ভাষা চলে না। আপনারা ভাবছেন, আপনারা এ ভাষায় কথা বললে আমরা আপনাদের আঘাত করবো। আমরা তা করবো না। আমাদের ভুল থাকলে ভুল ধরিয়ে দেন। আপনারা তা করছেন না।

শামীম ওসমান বলেন, আপনাদের টার্গেট সরকার ফেলে দেয়া নয়, শেখ হাসিনাকে ফেলে দেয়া। কোকো মারা গেলো, জাতির পিতার কন্যা গেলেন তার বাসায় সহানুভূতি জানানোর জন্য। তাকে অপমান করা হলো। আপনি (শেখ হাসিনা) আবারো বলছেন, গণভবন পর্যন্ত এলে চা খাওয়াবেন। এটা হতে পারে না।

যারা আপনাকে হত্যার চেষ্টা করে, যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের সংসদে বসায়, বাংলার মানুষ চায় না আপনি তাদের চা খাওয়ান। আপনি গণতন্ত্রের কথা বলেন, ওরা এটাকে দুর্বলতা ভাবে।

সামনে কঠিন সময় আসছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ওরা বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়। ওরা ওদের জায়গায় ঠিক আছে। আমরা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিভক্ত। বলেছিলাম, আমি স্লোগান দেবো, আপনারা বক্তৃতা দিয়েন।

সবাই তো বুঝলো না। অনেকেই বুঝে না বোঝান ভান করেন। তারা আমাদের হুমকি দেন। শেখ হাসিনাকে ২১ বার মারার চেষ্টা করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী কত মানুষকে হত্যা-ধর্ষণ করা হয়েছে পত্রিকায় পাবেন। তখন কোথায় ছিল মানবাধিকার?

তিনি আরও বলেন, ৮১ সালে নেত্রী দেশে ফিরে আকুতি মিনতি করলেন দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে। গেটটা জিয়াউর রহমান খুলে দেয়নি। সেখানে বসে একটু কান্নার সময়ও দেননি। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা আর্তনাদ করে কেঁদেছিলেন।

আরেক বোন শেখ রেহানা তো কাঁদতেও পারেননি। আপাকে বললাম, অনেক হয়েছে আমাদের ছুটি দেন। তিনি বললেন, তোদের স্বপ্নপূরণ হয়েছে, আমার স্বপ্নপূরণ হয়নি। তিনি বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে কাজ করে যাচ্ছেন।

আরও খবর

Sponsered content