বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ১৫ মাস আগেই আমেরিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করেছিলো খুনিরা - DesherSomoy24.com
ঢাকাবুধবার , ৩ আগস্ট ২০২২
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জাতীয়
  5. নির্বাচন
  6. প্রচ্ছদ
  7. প্রধান খবর
  8. প্রবাসে বাংলা
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. ব্যবসা ও বাণিজ্য
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষা ও সাহিত্য
  14. সব
  15. সারাদেশ

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ১৫ মাস আগেই আমেরিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করেছিলো খুনিরা

Mohammad Ali Sumon
আগস্ট ৩, ২০২২ ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অভ্যুত্থানের পর বিদেশি কোন শক্তি, বিশেষ করে ভারত যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেই দিকটা আমেরিকা দেখবে কিনা সেটাও যাচাই করতে চেয়েছিল তারা। শুধু তাই নয়, এর আগেও তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র কেনার ছল করে তথ্য জানতে আমেরিকান দূতাবাসে যায়। তারা সেখানে জানায়, সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বাসস

আমেরিকান সাংবাদিক লেখক বি জেড খসরুর ‘বাংলাদেশে মিলিটারি ক্যু সিআইএ লিঙ্ক’ গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা আছে। গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন সিরাজ উদ্দিন সাথী। বাংলাদেশের ইউনিভার্সেল একাডেমি বইটি প্রকাশ করেছে।

বি জেড খসরু তার বইতে লিখেন, ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস এমন অভ্যুত্থানের কথা শুনেছিল ১৫ আগস্টের ঘটনার অন্তত ১৫ মাস আগে। ১৯৭৪ সালের ১৩ মে সন্ধ্যায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান (বহিষ্কৃত) আগে থেকে না জানিয়েই আমেরিকান দূতাবাসের জনসংযোগ অফিসার উইলিয়াম গ্রেসামের বাসায় যায়। ফারুক তাকে জানায় যে, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার নির্দেশে সে আমেরিকানদের মনোভাব জানার জন্য এসেছে। সে বলে, তারা নিশ্চিত হতে চায়, সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করলে আমেরিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি কী হবে। ফারুক তাকে বলে, বিদেশি কোন শক্তি যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সে দিকটা আমেরিকা দেখবে কিনা। ফারুক বিশেষ করে ভারতের কথা বোঝাতে চায়।

ফারুক গ্রেসামকে জানায়, সারা দেশে সেনা অভিযান চলাকালে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগ নেতাদের না ধরার জন্য যে আদেশ দিয়েছেন তাতে সেনাবাহিনী সরকারের উপর ভীষণ চটে আছে।
গ্রেসাম ফারুককে জানান, আমেরিকা বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দেয় এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না। তবে, ফারুকের এই সাক্ষাতের বিষয়টি দূতাবাস ওয়াশিংটন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে অবগত করে। তারা একে অস্বাভাবিক অ্যাপ্রোচ বলে আখ্যায়িত করে।

তারা বলে, গত দু’বছরে এটাই প্রথমবার সেনাবাহিনীর অসন্তোষের এবং ক্যু-এর খবর নয়। আগেও এমন কথা দূতাবাসের কানে এসেছে। কিন্তু এর কোনটাই সত্য হয়নি। মার্কিন দূতাবাস ফারুকের এই সাক্ষাতের বিষয়টি যতই অস্বাভাবিক অ্যাপ্রোচ বলে আখ্যায়িত করুক না কেন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানালেও পরবর্তী সময়ে তাদের কিছু তৎপরতা কিন্তু সেই অবস্থানকে প্রকাশ করে না। এধরনের খবরের নির্ভরযোগত্য যাচাইসহ অভ্যুত্থানের সম্ভাব্য দিক নিয়েও বিস্তর চিন্তা ভাবনা চর্চা করতে দেখা গেছে তাদের।

স্বল্প মেয়াদে সেনাবাহিনীর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সক্ষমতা আছে কিনা, অভ্যুত্থান ঘটিয়ে শেখ মুজিবকে হত্যা কিংবা জেলে নেয়া অথবা জোরপূর্বক বিদেশে পাঠানো হলে এর ফলাফল কী হতে পারে এসব নিয়েও তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত ছিল।

তথ্য সুত্রঃ বাসস 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।