ঢাকা

আশুলিয়ায় ফ্লাট জবর-দখল চেষ্টার অভিযোগ

  প্রতিনিধি ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ , ৯:৪৮:২৪ প্রিন্ট সংস্করণ

received 3197006957182856

 

300px X 250px AD

সাভার প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ায় অবৈধভাবে জবর দখলের উদ্দেশ্য ফ্ল্যাট মালিককে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফ্ল্যাটবাসা দখল নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মোঃ গোলজার হোসেন, মোঃ আবু তালেব, মোঃ সিরজুল ইসলাম, মোঃ আজিজুল শেখ, মাওলানা মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মোঃ রাজু আহম্মেদ, মোঃ দুলাল হোসেন ও মোঃ মিজানুর রহমান মোট ৮জনের যৌথ মালিকানায় দক্ষিণ গাজীরচট এলাকায় বাইপাইল মৌজাস্থ ১২শতাংশ জমির উপর ৮ ইউনিট বিশিষ্ট ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। সেখানে প্রতিজন অংশীদার প্রতি তালায় ১টি করে মোট ৪টি ইউনিটের মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছেন।

রাজু আহম্মেদ ও তার স্ত্রী জানান, আমার প্রতিবেশী মোঃ দুলাল হোসেন ও তার স্ত্রী মোসাঃ আসমা সুলতানা আমাদের ফ্ল্যাটের ৪র্থ তলার ইউনিট ক্রয় করার প্রস্তাব দেয়। আমরাও টাকার প্রয়োজনে বিক্রি করতে রাজী হই। এমতাবস্থায় তারা মাত্র দশ হাজার টাকা মৌখিক বায়না দেয়। এরপর বাকি টাকা না দিয়ে এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই তারা ফ্ল্যাটটি জোর পূর্বক জবরদখলের চেষ্টা করে।

তখন আমরা ঢাকা বিজ্ঞ জুডিশিয়াল আমলি ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি, যার নং- ৫৯৮/২১। মামলা চলাকালীন সময়ে গত ০৬/০৭/২০২২ ইং তারিখে বিবাদিগণ আমার ফ্ল্যাটটি দখল করে কাজ করার চেষ্টা করে তখন আমরা বাঁধা দিলে আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ডাইরি নং- ৫২৩।

তবে থানা থেকে ফলপ্রসূ সেবা আমরা পাইনি। আপনারা তাদের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখেন কোন নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র তারা দেখাতে পারবে না। বর্তমানে উক্ত ফ্ল্যাটটি আমরা অন্য ব্যাক্তির নিকট বিক্রি করে দিয়েছি। সেই সাথে আমার প্রতিবেশী মোঃ দুলাল হোসেনকে অনুরোধ করছি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অন্যের সম্পদ জবরদখল চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন।

এই বহুতল ভবনের আরেক অংশীদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতিবেশী মোঃ রাজু আহম্মেদকে টাকা পরিশোধ না করেই মোঃ দুলাল হোসেন তার ইউনিট দখল চেষ্টা করছে। এ নিয়ে দুপক্ষের অনেক দিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছে। তবে আমরা একই ভবনের শেয়ার হোল্ডার হয়েও তাদের লেনদেনের বিষয়ে জানি না।

আমরা বিষয়টি মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু দুপক্ষের কথাবার্তায় অনেক গরমিল থাকায় আমরা এ বিষয়ে আর নাক গলাতে রাজি নই। তাছাড়া মোঃ দুলাল ভাইয়ের পক্ষে নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র না থাকায় আমরা এবিষয়ে আর গুরুত্ব দেয়নি।

অভিযুক্ত মোঃ দুলাল হোসেন ও তার স্ত্রী মোসাঃ আসমা সুলতানা বলেন, করনার প্রথম দিকে এ ইউনিট মালিক মোঃ রাজু আহম্মেদের স্ত্রীর নিকট ফ্ল্যাট ইউনিট ক্রয়বাবদ ৭,১০,০০০(সাত লাখ দশ হাজার) টাকা প্রদান করি।

৬ মাস পরে রেজিষ্ট্রি করার কথা বললে সে আরো ১ লক্ষ টাকা বেশি দাবি করে এবং আগের টাকার কথা অস্বীকার করে। তারাই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করছে। বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি এখন তারা অস্বীকার যায়। তবে ফ্ল্যাট ক্রয়ের নির্ভরযোগ্য কোনও কাগজপত্র এসময় আসমা সুলতানা দেখাতে পারিনি।

আরও খবর

Sponsered content