শাল্লা জলসুখা সড়কের ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাণে শঙ্কা - DesherSomoy24.com
ঢাকারবিবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জাতীয়
  5. নির্বাচন
  6. প্রচ্ছদ
  7. প্রধান খবর
  8. প্রবাসে বাংলা
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. ব্যবসা ও বাণিজ্য
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষা ও সাহিত্য
  14. সব
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শাল্লা জলসুখা সড়কের ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাণে শঙ্কা

Mohammad Ali Sumon
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ সুনামগঞ্জ সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলাবাসীর স্বপ্নের শাল্লা-জলসুখা সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। তবে ভূমি অধিগ্রহণ বিলম্ব হওয়ার কারণে এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সড়কের অ্যালাইনমেন্ট ৬ মাস আগে হলেও জমি অধিগ্রহণ কাজ হচ্ছে ধীরগতিতে। এখনো সড়কের নির্ধারিত ভূমিতে রয়েছে জমি মালিকদের স্থাপনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাওরের একেবারে তলানির উপজেলা শাল্লার প্রায় দুই লাখ মানুষের সঙ্গে রাজধানীর দূরত্ব কমাতে এবং শাল্লার যোগাযোগের কষ্ট দূর করতে শাল্লা-জলসুখা-বানিয়াচঙ-হবিগঞ্জ সড়ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ কিলোমিটার সড়কে গেল ডিসেম্বর মাসে কাজ শুরু হয়েছে। সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতু নির্মিত হবে এই সড়কের গ্রাম শাল্লা এলাকায়।

সড়কের কালনী নদীর উপর ৮৮৮ মিটার দীর্ঘ এই সেতু। এই সড়কের জলসুখায় ৪৪৪ মিটার সেতুসহ সড়কে আরও ৯ টি ওসেতু এবং ৩৬ টি কালভার্ট হবে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের মধ্যে এই সড়কের কাজ শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সড়কের নির্দিষ্ট অ্যালাইনমেন্টে থাকা জমি অধিগ্রহণের কাজে ধীরগতি থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীগণ।

হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, সড়কের হবিগঞ্জ অংশের (ফিরোজপুর এলাকা) জমি অধিগ্রহণ যত দ্রুত এগিয়েছে, সুনামগঞ্জ অংশে সেভাবে হয় নি। শাল্লা সদরে বেশ কিছু স্থাপনা এখনো সড়কের অ্যালাইনমেন্ট অংশে রয়েছে। এগুলোর জন্য চার এবং সাত ধারায় নোটিশই এখনো হয় নি। জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হলে প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে শেষ করা কঠিন হবে।

এই সড়কের শাল্লা অংশের দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুম আহমেদ বললেন, সড়কের অ্যালাইনমেন্ট ৬ মাস আগে দেওয়া হয়েছে। অধিগ্রহণের জন্য দায়িত্বশীলরা সম্প্রতি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। অধিগ্রহণ দ্রুত হলে কাজের গতি আরও বাড়বে।

জেলা প্রশাসনের অধিগ্রহণ শাখার ফাইল সহকারী শাহাদাত হোসাইন জানালেন, এই সড়কের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য মাস খানেক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শাল্লায় সদ্য যোগদানকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তালেব বললেন, অধিগ্রহণ শাখার কোন চিঠি আমি যোগদান করে পাই নি, চিঠি পাবার পর আমরা জানাবো জমি কি অবস্থায় আছে, কারা দখলে আছেন।

সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত স্মৃতি পরিষদের শাল্লা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পিসি দাস পিযুষ বললেন, সড়কটির শুরুর অংশে আমরা ‘সেন চত্বর’ করতে চাই। কিন্তু ওখানে নানা ব্যক্তিগত স্থাপনা আছে। এগুলো সরকারি জমি হলে উদ্ধার করতে হবে, ব্যক্তিগত জমি হলে অধিগ্রহণ করা লাগবে। দ্রুত জমি অধিগ্রহণ না করলে, সড়কের কাজে বিলম্ব হবে।

সাংবাদিক সুব্রত দাস খোকন মনে করেন, এই সড়ক হলে ভাটির তলানির উপজেলা শাল্লা বদলে যাবে। ৪-৫ ঘণ্টায় পৌঁছা যাবে রাজধানীতে। দ্রুত সড়কের কাজ শেষ করার জন্য সহায়তা করবেন শাল্লাবাসী। জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বললেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই সড়কের অ্যালাইনমেন্ট করার সময় প্রথমে সামান্য ভুল ছিল। মুজিববর্ষে হতদরিদ্রদের দেওয়া কিছু ঘরের উপর দিয়ে সড়কের অ্যালাইনমেন্ট ছিল। এটি পরিবর্তন করে অন্য অংশ দিয়ে এখন সড়ক যাবে।

১৫ দিন আগে সরেজমিনে গিয়ে দেখে এসেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্বসহ সংশ্লিষ্টরা। আমরা ওখানকার জমি অধিগ্রহণ শীঘ্রই শেষ করবো এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের চেক ওখানে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসবো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।