সারাদেশ

বাথ’রুমে ঢুকে নারী ইউ’পি সদস্যকে ধ’র্ষন করলেন আরেক ইউপি সদস্য

  প্রতিনিধি ৯ অক্টোবর ২০২১ , ২:৪৫:৩৫ প্রিন্ট সংস্করণ

Screenshot 20211009 143703 Facebook

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরে এক নারী ইউপি সদস্যকে ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে আরেক ইউ’পি সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে জামালপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাই’ব্যুনাল-১ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে একটি মামলা দায়ের করেন।

300px X 250px AD

অভিযুক্ত আ: রহিম সরকার জামাল’পুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়র পরি’ষদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং বাট্টাজোড় বীরগাও সরকার বাড়ীর সন্তান। মাম’লার বাদী একই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য।

মামলা ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আ: রহিম ওই নারী ইউপি সদস্য’কে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরণের লোভ লালসা ও বিবাহের প্রলোভনে নানা ভাবে উত্যাক্ত ও কু-প্রস্তাব দিত। তবে সব’সময়ই তা প্রত্যাখান করে আসছিলেন ভুক্তোভোগী।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি জন্ম নিব’ন্ধন সনদের জন্য ইউপি মেম্বার রহিমের সাথে কথা বলেন ওই নারী সদস্য। তাকে পরের দিন সকাল বেলা অফি’সে আসতে বলেন তিনি।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় ওই নারী সদস্য পরিষদে গিয়ে চেয়ার’ম্যানের কক্ষে বসে থাকা ইউপি সদস্য আ: রহিমের সাথে জন্ম সনদের বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় প্রকৃ’তির ডাকে সাড়া দিতে নারী সদস্য বাথরুমে প্রবেশ করতে যান।

এমন সময় দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে ওই নারী সদস্যকে জোড়’পূর্বক ধ’র্ষণ করেন আ: রহিম। পরে দ্রুত মোটর সাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

তাৎক্ষনিক ঘটনাটি ইউপি চেয়ার’ম্যান মোজাম্মেল হক তালুকদারকে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন ওই নারী সদস্য। চেয়ার’ম্যান বিষয়টি কাউকে না জানানোর অনুরোধ করে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেন।

পরে চেয়ারম্যানের কাছে এ ঘটনার উপযুক্ত কোন বিচার না পেয়ে গত রবিবারে ৩ অক্টোবর ভুক্তভোগী জামালপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাই’ব্যুনাল-১ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবি মোকাম্মেল হক জানান, মামলা দায়েরের পর আদালত তার ডাক্তারী পরীক্ষার রিপোর্ট ও মামলাটি তদন্ত পুর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইন’ভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত রহিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তি’হীন। আমার সাথে শত্রুতা করে সে আমায় ফাঁসাচ্ছে।

এ ঘটনার বাট্টজোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজা’ম্মেল হক তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, `আমার অফিসে এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি নিয়মিত অফিস করি এ ধরণের কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলে আমি জান’তাম’।

বকশীগঞ্জ থানার ভার’প্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সম্রাট জানান, আমার কাছে কেউ এ ধরণের কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তবে বি’ভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি কো’র্টে নাকি মামলা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content