অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রী ও তিন সন্তানের মৃত্যু ২৪ লাখ টাকায় রফাদফা - DesherSomoy24.com
ঢাকাবুধবার , ১৩ এপ্রিল ২০২২
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জাতীয়
  5. নির্বাচন
  6. প্রচ্ছদ
  7. প্রধান খবর
  8. প্রবাসে বাংলা
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. ব্যবসা ও বাণিজ্য
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষা ও সাহিত্য
  14. সব
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অগ্নিকাণ্ডে স্বামী-স্ত্রী ও তিন সন্তানের মৃত্যু ২৪ লাখ টাকায় রফাদফা

Mohammad Ali Sumon
এপ্রিল ১৩, ২০২২ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

এহসানুল হক রিপনঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বামী মকবুল মিয়া ও স্ত্রী রেখা বেগমসহ তাদের তিন সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি সালিসে ২৪ লাখ টাকায় রফা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছফিউল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে এই আপস রফা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ছফিউল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে আশুগঞ্জ বাজারে তার কার্যালয়ে এ সালিস বৈঠক হয়। সেখানে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম পারভেজ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান, জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মোল্লা, মকবুল মিয়ার মা খোরশেদা বেগম, শ্বশুর খোরশেদ আলম, ভবন মালিক আলাই মোল্লাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সালিশে ভবন মালিক আলাই মোল্লাকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করে আপস করা হয়। সালিসের বিষয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছফিউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘মকবুলের অনেক টাকা ঋণ আছে। ২৪ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। এ সময় নিহতের স্বজনসহ উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।’

ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ১০টার দিকে রান্নাঘরে মশার কয়েল জ্বালাতে যায় মকবুল–রেখা দম্পতির শিশুপুত্র আরিফ হোসেন। দেশলাই জ্বালাতেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এ সময় আরিফকে বাঁচাতে ছুটে আসেন তার মা, বাবা ও ছোট ভাই জোবায়ের হোসেন। অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অন্ধকারে তারা আর বাইরে আসতে পারেননি।

ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ হন সবাই। ঘটনাস্থলেই জোবায়ের মারা যায়। পরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মকবুল মিয়া, আরিফ হোসেন ও রেখা বেগম মারা যান। এর আগে হাসপাতালে রেখার গর্ভে থাকা কন্যাসন্তানের জন্ম হয় মৃত অবস্থায়।

এ ঘটনায় গত ২ মার্চ ভবন মালিক আলাই মোল্লাসহ পাঁচজনকে আসামি করে আশুগঞ্জ থানায় মামলা করেন মকবুলের মা খোরশেদা বেগম। ঘটনার পাঁচ দিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন। এই বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক তদন্ত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুজন পাল বলেন, আপোষ মীমাংসা আমাদের দেথার বিষয় না।

পুলিশের কাছে মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে আমরা যা খুঁজে পাব সেই বিষয়ে আমরা আদালতে জানাব। আদালত যে নির্দেশনা আমাদের দিবে আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। কে আপোষ করল সেটি আমাদের দেখার আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান বলেন, ‘আপস করার কথা লোকমুখে শুনেছি।

তবে আমাদের কেউ সালিসে বসবে এ ব্যাপারে বলেনি। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শিগগিরই চার্জশিট দেওয়া হবে।’ আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, এঘটনায় নিহত মকবুলের মা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার কারনে আমরা আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন কাউকে দেইনি।

তবে আমাদের তদেন্ত ঘটনার প্রকৃত বিষয়টি উঠে এসছে। আদালত আমাদের কাছে চাইলে আমরা সেখানে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। যদি বিষয়টি শালিস করে সমাধান করা হয় তাহলে আমরা আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়ে দিব। সেখান থেকে যেকোন সিদ্ধান্ত আসলে সেই অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।