ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ নভেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কৃষি
  5. খুলনা
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. চট্টগ্রাম
  11. চাকরির খোঁজ
  12. জাতীয়
  13. ঢাকা
  14. ঢাকা
  15. তথ্য ও প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অবৈধভাবে দখল করা জমি বাচাতে দোকানে কোরআন রাখার অভিযোগ

আলী আজীম, মোংলা (বাগেরহাট)।
নভেম্বর ২৪, ২০২২ ৭:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দোকান করার জন্য ভাড়ায় ঘর নেয়ার কথা থাকলেও ঘর মালিককের সাথে চুক্তি না করেই জোর পূর্বক জমিসহ ঘরের দখল নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ফারুক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমনকি জরাজির্ণ ঐ ঘরটিতে পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে দখল চেষ্টারও অভিযোগ উঠেছে। ভাই ভাইকে সহযোগিতা করায় সম্পদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সন্তান।

এই বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন মোঃ মারুফ হাওলাদার। চিলা ইউনিয়নের বৈদ্যমারি বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

মারুফ হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, আমার চাচা বেকার অবস্থায় থাকা কালিন আমার বাবা তাকে ঐ জায়গায় দোকান তুলে ব্যবসা করতে দেয়। কিন্তু আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমার চাচা সেই দোকান ঘর ছাড়তে চাচ্ছেন না। বরং তার জমি বলে দাবী করছেন। আমি উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর দরখাস্ত করলে তিনি জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চিলা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট দায়িত্ব দেন। কিন্তু আমার চাচা চেয়ারম্যানের বিচার মানেন না।

এ বিষয়ে চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন বলেন, সাবেক উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর মারুফ হাওলাদার জমি পাওয়ার বিষয় একটি অভিযোগ করলে তিনি আমার উপর দায়িত্ব দেন জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। সে মোতাবেক উভয় পক্ষকে আমি ডেকে জমি বুঝিয়ে দি কিন্তু অভিযুক্ত ফারুক হাওলাদার আমার এ বিচার মানেন না। আমি এ বিষয়ে নতুন ইউএনও বরাবর একটি প্রতিবেদন দিবো।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারুক হাওলাদার বলেন সব অভিযোগ মিথ্যা, আমি তাদের সাথে কোর্টে বুঝবো।

উল্লেখ্য, মারুফ হাওলাদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বুধবার (২ নভেম্বর) উভয় পক্ষের শুনানি হয়। স্বাক্ষরিত শুনানিতে ইউএনও বলেন, মোঃ ওমর ফারুক হাওলাদার বৈদ্যমারি বাজারে তফসিল বর্ণিত ১.০০ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে দোকান তুলে ব্যবসা করছেন।

হাট-বাজার ব্যাবস্থাপনা নীতিমালা মোতাবেক একজন ব্যবসায়ী সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ জমির অধিক ইজারা প্রদানের সুযোগ নেই। তফসিলে বর্ণিত জমি উভয় পক্ষকে সমানাংশে বিভক্ত করে উভয় পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চেয়ারম্যান বলা হয়। উভয় চাচা-ভাইপো হলেও তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে, যার ফলে যে কোন সময় সেখানে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে।